/

নবম-দশম শ্রেণীর “বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের” পুরো বই থেকে সংগৃহিত:

মো: রুকুনুজ্জামান রাসেল

প্রকাশিতঃ ৫:১২ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ১১, ২০১৭

৩৮তম বিসিএস প্রিলি. প্রস্তুতি- নবম/দশম শ্রেণীর “বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের” পুরো বই থেকে সংগৃহিত:

১) সামরিক শাসন জারি করা হয় – ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ২) আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর ৩) মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন – আইয়ুব খান ৪) আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয় – ১৯৬১ সালে ৫) ছাত্র সমাজ ১৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে– ১৯৬২ সালে ৬) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হয় – ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ৭) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ চলে – ১৭ দিন ৮) বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ – ৬ দফা দাবি ৯) ৬ দফা দাবি উথাপন করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০) ৬ দফা দাবি উথাপন করা হয় – ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি

১১) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি ছিল– ৩৫ জন ১২) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয় – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৩) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি হয়– ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন ১৪) ঊনসত্তরের গণ অব্যুথান হয় – ১৯৬৯ সালে ১৫) গণ অভ্যুথানে শহীদ হন – আসাদ, ড. শামসুজ্জোহা ১৬) আগরতাল ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ১৭) শেখ মুজিবুর রহমানকে ” বঙ্গবন্ধু ” উপাধি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮) আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন – ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ ১৯) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়– ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর ২০) নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল – ৫ কোটি ৬৪ লাখ

২১) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসন লাভ করে – ১৬৭ টি ( ১৬৯ এর মধ্যে) ২২) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়– ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর ২৩) প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগ আসন পায়– ২৮৮ টি ( ৩০০ এর মধ্যে)
২৪) পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন – আগা খান ২৫) অধিবেশন স্থগিত করা হয় – ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ২৬) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৭) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ২৮) বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের সময় পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল – অসহযোগ আন্দোলন ২৯) জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করা হয়
– ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ৩০) পূর্ববাংলার স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে ৩১) অপারেশন সার্চ লাইট চালানোর নীলনক্সা করা হয় – ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ ৩২) নীলনক্সা করেন – টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী ৩৩) অপারেশন সার্চ লাইট হলো – ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বর্বরহত্যাকান্ড ৩৪) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসযোগে ৩৫) বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে আনুমানিক রাত ১.৩০ মিনিটে ৩৬) শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন-২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর ৩৭) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি ছিল – ইংরেজিতে। ৩৮) বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল – ভারতে ৩৯) বাংলাদেশে নদী পথের দৈর্ঘ্য – ৯৮৩৩ কিমি ৪০) সারাবছর নৌ চলাচলের উপযোগী নৌপথ – ৩,৮৬৫ কি.মি

৪১) অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি হয়েছে– ১৯৫৮ সালে ৪২) কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকর প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় – পাকিস্তান আমলে ৪৩) অভ্যন্তরীন নৌ পথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের – ৭৫% আনা নেয়া হয় ৪৪) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালে ৪৫) বাংলাদেশে চা চাষ হচ্ছে – উওর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে ৪৬) সারা বছর বৃষ্টিপাত হয় – উষ্ণ ও আদ্র জরবায়ু অঞ্চলে
৪৭) বাংলাদেশে চির হরিৎ বনাঞ্চল – পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল ৪৮) বাংলাদেশে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ জেলা সমূহ – পূবাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলা সমূহ ৪৯) বাংলাদেশের লবণাক্তের পরিমাণ বেশি – দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা ৫০) বাংলাদেশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বনভূমি- দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর পুর্ব অংশের পাহাড়ী অঞ্চল

৫১) চিরহরিৎ বনকে বলা হয় – চির সবুজ বন ৫২) চিরহরিৎ বনভূমির পরিমাণ – ১৪ হাজার বর্গ কি.মি ৫৩) প্রচুচুর বাঁশ ও বেত জন্মে – সিলেটে ৫৪) রাবার চাষ হয় – পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে ৫৫) ক্রান্তীয় পাতাঝরা অরণ্য – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় ৫৬) শীতকালে গাছের পাতা সম্পূর্ণ ঝরে যায় – ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির ৫৭) ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির প্রধান বৃক্ষ – শাল
৫৮) মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে ৫৯) দিনাজপুরে এটি – বরেন্দ্র নামে পরিচিত ৬০) স্রোতজ বনভূমি- দক্ষিণ পশ্চিমাংশের নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলীয় বন ৬১) স্রোতজ বনভূমি প্রধানত জন্মে – সুন্দরবনে ৬২) বাংলাদেশে স্রোতজ বা গরান বনভূমির পরিমাণ – ৪,১৯২ বর্গ কি.মি

৬৩) বাংলাদেশ সরকারে বিভাগ – ৩ টি ৬৪) আইনবিভাগের কাজ – আইন প্রনয়ন ও প্রচলিত আইনের সংশোধন  ৬৫) আইন বিভাগের একটি অংশ – আইনসভা ৬৬) এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা – কক্সবাজার ২৭.৬৪ ডিগ্রী, নারায়ণগঞ্জে ২৮.৬৬ ডিগ্রী, রাজশাহীতে ৩০ ডিগ্রী
৬৭) গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যায় – দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু ৬৮) কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে – পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ৬৯) প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় হয় – ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল ৭০) বাংলাদেশে বর্ষাকাল – জুন হতে অক্টোবর মাস ৭১) প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – জুন মাসের শেষ দিকে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ৭২) বর্ষাকালে আবহাওয়া সর্বদা – উষ্ণ থাকে ৭৩) বর্ষাকালে গড় উষ্ণতা – ২৭ ডিগ্রী সে.
৭৪) বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে – জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে ৭৫) বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের – ৪/৫ ভাগ হয় হয় বর্ষাকালে ৭৬) বর্ষাকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত হয় – ৩৪০ ও ১১৯ সে.মি ৭৭) বর্ষাকালে ক্রমে বৃষ্টিপাত বেশি হয় – পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
৭৮) বর্ষাকালে বিভিন্ন জেলার বৃষ্টিপাতের পরিমান –পাবনায় প্রায় ১১৪, ঢাকায় ১২০, কুমিল্লায় ১৪০, শ্রীমঙ্গলে ১৮০ এবং রাঙ্গামাটিতে ১৯০ সে.মি ৭৯) বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ৮০) বর্ষাকালে পর্বতের পাদদেশে এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের কোথাও বৃষ্টিপাত – ২০০ সে.মি কম হয়

 

সুপ্রিয় পাঠক

বিসিএস, ব্যাংক সহ যেকোন চাকুরি প্রস্তুতির জমপেশ আড্ডা দিতে জব স্টাডি অফিশিয়াল গ্রুপে জয়েন করতে ভুলবেন না কিন্তু!!

জবস্টাডি টুয়েন্টিফোর/আর