/

৩৮তম বিসিএস প্রিলি. প্রস্তুতি-(বাংলা বানানের নিয়ম পর্ব -০৩)

জব স্টাডি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিতঃ ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ১৬, ২০১৭

৩৮তম বিসিএস প্রিলি. প্রস্তুতির জন্য বাংলা বানানের উপর ধারাবাহিক পর্ব  প্রকাশ করা হচেছ। আজকে বাংলা বানানের ১ম পর্ব নিয়ে আলোচনা হবে। আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

বিরাম বা যতিচিহ্ন: ডট ( . ) ব্যবহার : বাংলায় সংক্ষিপ্ত শব্দে ডট ব্যবহার হবে। যেমন— ড. (ডক্টর), লি. (লিমিটেড), মি. (মিস্টার) ইত্যাদি। ইংরেজিতে Govt. (Government), Ltd. (Limited), Mr. (Mister), Dr. (Doctor)। ইংরেজি শব্দের সংক্ষিপ্ত বর্ণ রূপে (Abbreviation) ডট ব্যবহার না করাই ভালো। যেমন— SSC, HSC, SMS, MMS, BSS, BA, JSC, MPO, UN, BGB, BSF, RDRS, BRAC, BPL, IPL, ICC, BBC, WFP; বাংলায় এসএসসি, এইচএসসি, এসএমএস, এমএমএস, বিএ, বিকম, বিএসএস, বিএসসি, সিইনএড, পিএইচডি, পিসি, আইসিসি, ইউএন, বিবিসি ইত্যাদি। এক্ষেত্রে ডট ব্যবহার করা ভুল নয়—তবে আমাদের দ্বারা ভুলের সৃষ্টি হতে পারে। যেমন— BSc, PhD লিখতে গিয়ে B.S.C., P.H.D. লেখা। BSc, PhD-তে ডট ব্যবহার এভাবে হবে B.Sc., Ph.D. শুধু মাঝে ডট দিলে চলবে না; যেমন— B.Sc, Ph.D অর্থাৎ Sc. ও D.-এর পরেও ডট হবে—অনুরূপ বাংলাতেও। সুতরাং ভুল এড়াতে এবং বাংলা বানানের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ডট ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এসব শব্দে হাইফেন ( – ) ও কমা ( , ) ব্যবহার করা যাবে না। কোলন ( : ) ব্যবহার: উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত বোঝাতে কোলন ব্যবহার হয়।  বাংলা সন্ধি দু প্রকার : স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। ব্যাখ্যামূলক/বিবরণমূলক শব্দে কোলন ব্যবহার হয়।
নাম: শামস
পিতার নাম: শামসুল
ঠিকানা: গ্রাম– পায়রাবন্দ, ডাকঘর– পায়রাবন্দ, উপজেলা– রংপুর, জেলা– রংপুর।
বিষয়: বিনা বেতনে অধ্যয়নের জন্য আবেদন।
মোবাইল: ০১*******০০
নিচ: নিচু, তল, নিচের দিক
নীচ: নিকৃষ্ট, হীন

গাণিতিক ক্ষেত্রে কোলন ব্যবহার হয়।
১:৯ (অনুপাত)

সময় ও তারিখে কোলন ব্যবহার হয়।
২:৩০ মিনিট
তারিখ: ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩

নাটকের সংলাপের আগে কোলন ব্যবহার হয়।
দুকড়ি: কী চাই?
কাঙালি: আজ্ঞে, মহাশয় হচ্ছেন দেশহিতৈষী।

[দ্রষ্টব্য: ১ হতে ৪৪ নং ক্রমিকগুলো লক্ষ করলে কোলনের ব্যবহার বুঝতে সুবিধা হবে। আমাদের অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে বিসর্গ আর কোলন এক নয়। বিসর্গ বাংলা বর্ণ; কোলন যতিচিহ্ন।]

হাইফেন/যুক্তচিহ্ন ( – ) ব্যবহার:
সমাসবন্ধ পদে হাইফেন ব্যবহার হবে। যেমন— উপ-সহকারী, ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম, মুহাম্মদ (সা.)-কে আল-আমিন বলা হতো, বিনোদ (২৮)-এর মৃত্যু, Sub-district, SMS-এর মাধ্যমে পাঠাতে হবে, ISF-সহ, ৩-এর, ৫-সহ ইত্যাদি। এ ছাড়া শব্দকে ভেঙে দেওয়া ক্ষেত্রেও হাইফেন ব্যবহার হয়। যেমন— আন্ত-
র্জাতিক ইত্যাদি। হাইফেনের শুরুতে বা শেষে কোনো ফাঁকা (স্পেস) হবে না। অর্থাৎ দুটি শব্দকে একত্রে রাখবে।

ড্যাশ (—) ব্যবহার:
এম ড্যাশ (—) আকারে হাইফেনের তিনগুণ বড়। একই লাইনে বা, একই প্যারায় যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে দুই বা তারচেয়েও বেশি পৃথক বাক্য লেখার সময় তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে ড্যাশ চিহ্ন ব্যবহার করা যায়। যেমন— তোমরা দরিদ্রের উপকার কর—এতে তোমাদের সম্মান যাবে না—বাড়বে। অসম্পূর্ণ বাক্যের শেষেও ড্যাশ ব্যবহার হয়। যেমন—
বাংলাদেশের রাজধানী হচ্ছে—
ক. চট্টগ্রাম খ. খুলনা গ. ঢাকা ঘ. রাজশাহী।

এন ড্যাশ (–) আকারে হাইফেনের দেড়গুণ বড়। সমার্থক ও বিপরীত ধর্মী শব্দে এন ড্যাশ ব্যবহার হয়। যেমন— দেশি–বিদেশি, সত্য–মিথ্যা ইত্যাদি। এ ছাড়া থেকে বা হতে অর্থেও ব্যবহার হয়। যেমন— ১০–১২ বছর, ঢাকা–খুলনা ইত্যাদি। এ ধরনের শব্দে হাইফেন ব্যবহার করা যেতে পারে।

কোটেশন মার্ক/ইনভার্টেড কমা/উদ্ধৃতিচিহ্ন ( ‘ ’ “ ” ) ব্যবহার:
শব্দকে চিহ্নিতকরণের ক্ষেত্রে একটি উদ্ধৃতিচিহ্ন ব্যবহার হয়। যেমন— ‘সোনার তরি’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। উক্তিবাচক শব্দে দুটি উদ্ধৃতিচিহ্ন ব্যবহার হবে। যেমন— রেজা বলল, “আমি এখন স্কুলে যাই।”

অ্যাপস্ট্রফি/লোপচিহ্ন ( ’ ) ব্যবহার:
শব্দকে সংক্ষিপ্তকরণে এর ব্যবহার হয়। যেমন— ’৭১ সাল (১৯৭১ সাল)। কবিতায় ছন্দের মিল রাখতে লোপচিহ্ন ব্যবহার হয়। বাংলা বানানে লোপচিহ্নের ব্যবহার বর্জনীয়।

অবলিক/স্ল্যাশ/অথবা/বিকল্পচিহ্ন ( / ) ব্যবহার:
বিকল্প শব্দের মাঝে অবলিক ( / ) বসে। সহজ কথায় এটা নয় ওটা এরূপ বোঝাতে অবলিক ব্যবহার হয়। যেমন—
বৈবাহিক অবস্থা: বিবাহিত/অবিবাহিত ইত্যাদি। যেখানে দু-ই বিদ্যমান যেখানে বিকল্পচিহ্ন ব্যবহার হবে না। যেমন— বিদ্যালয়ে শিক্ষক/কর্মচারী সংখ্যা কম বা, ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যা অনেক বেশি। শুদ্ধরূপ হচ্ছে— শিক্ষক–কমচারী ও ছাত্র–ছাত্রী (ছাত্রছাত্রী)।
স্মারক ও তারিখে অবলিক ব্যবহার হয়। যেমন— ঢাবি/পরী/২০১২-১৩, তারিখ- ১২/১২/২০১২খ্রি.। ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে লেখার সময় বলা হয় স্ল্যাশ।

যতিচিহ্নের কিছু অশুদ্ধ ও শুদ্ধ ব্যবহার :
চিহ্নের নাম>>>>>> শুদ্ধ >>>> অশুদ্ধ
কোলন >>>>>>> ( : ) >>>>( ঃ )
কোলন-ড্যাশ >>> ( :— ) >>> (ঃ- ) [বিসর্গ ব্যবহার হবে শব্দগঠনে। যেমন- দুঃখ, ইতঃপূর্বে।]
ড্যাশ>>>>>>>> ( — )>>>> ( – )
হাইফেন >>>>>> ( – ) >>>> ( — )

অশুদ্ধ ব্যবহার: পরীক্ষা/২০১২, ২০১২/১৩ শিক্ষাবর্ষ, ২০১২/১৩ অর্থবছর, ১ জানুয়ারি/২০১২ ইত্যাদি।

 

চাকরি, সাক্ষী, সাক্ষ্য, এতদ্দ্বারা, এতদসংক্রান্ত, উপর্যুক্ত/উপরিউক্ত, উল্লিখিত, ইতোমধ্যে, ইতঃপূর্বে, পথিমধ্যে, সুষ্ঠু, অদ্যাবধি, যথাবিহিত, আকাঙ্ক্ষা, কাঙ্ক্ষিত, দাবি, জারি, সেবা, পরিষেবা, স্বচ্ছ, সচ্ছল, দ্বন্দ্ব, দূর, দূর-দূরান্ত, দূরীকরণ, অদূর, দূরত্ব, দূরবীক্ষণ, দূষিত, দূষণ, দূষণীয়, দুর্গা, দুর্গ, দুর্দান্ত, দুরবস্থা, দুরন্ত, দুর্নীতি, দুর্যোগ, দুর্ঘটনা, দুর্নাম, দুর্ভোগ, দুরাকাঙ্ক্ষা, দুর্দিন, দুর্বল, দুর্জয়, দুরারোগ্য, দুরূহ, ভুবন, ভূমি, অদ্ভুত, ভুতুড়ে, ভস্মীভূত, ভূত, বহির্ভূত, ভূতপূর্ব, ভূমিকা, ভূমিষ্ঠ, ভূয়সী, ভুক্ত, ভুক্তি, ভুল, ভুয়া, মুহূর্ত, মুমূর্ষু, বিদ্যা, বিদ্বান, উচিত, ফেরত, ফেরতযোগ্য, জগৎ, জগতে, বিদ্যুৎ, বিদ্যুতে, ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যতে, আত্মসাৎ, আত্মসাতে, যাবৎ, সাক্ষাৎ, সাক্ষাৎকার, সাক্ষাতে, পাইকারি, সরকারি, দরকারি, তরকারি, মস্কারি, সহকারী, আবেদনকারী, সাহায্যকারী, পরিবেশনকারী, দর্শনকারী, তদারককারী, দুষ্কৃতকারী, অনিষ্টকারী, অনুসারী, কর্মচারী, প্রতীকী, যাত্রী, ছাত্রী, ধনী, মীমাংসা, মনীষী, সীমা, সীমাহীন, ইদানীং, তদানীং, সমীচীন,

সর্বাঙ্গীণ, গোষ্ঠী, ঋণগ্রহীতা, লক্ষ্মী, হীরক, নীল, সুনীল, নীলা, নীলক, নীলিমা, সজীব, রাজীব, রবীন্দ্র, নারায়ণ, যক্ষ্মা, পৈতৃক, অমাবস্যা, ধরন, ধারণ দরুন, দারুণ, ঊর্ধ্ব, ঊর্ধ্বতন, স্তূপ, অত্যন্ত, অত্যধিক, অধ্যয়ন, ব্যাকরণ, গগন, প্রাঙ্গণ, সান্ত্বনা, সর্বস্বান্ত, শীতার্ত, সদ্যোজাত, অগ্রিম, নিখুঁত, ব্যাহত, অব্যাহত, অব্যাহতি, একমুখী, দ্বিমুখী, ত্রিমুখী, বহুমুখী, মুখোমুখি, পায়রা, যাবজ্জীবন, উজ্জীবিত, গরিব, রুপা, রুপালি, রূপ, রূপান্তর, রূপান্তরিত, স্বরূপ, রূপসী, কার্যাবলি, শর্তাবলি, ব্যাখ্যাবলি, নিয়মাবলি, তথ্যাবলি, জরুরি, বদলি, মেয়াদি, মঞ্জুরি, মজুরি, কারিগরি, আমদানি, রফতানি/রপ্তানি, জ্বালানি, নতুন, নূতন, পুনঃপ্রকাশ, পুনঃপরীক্ষা, পুনঃপ্রবেশ, পুনঃপ্রতিষ্ঠা, পুনর্জীবিত, পুনর্নিয়োগ, পুনর্নির্মাণ, পুনর্মিলন, পুনর্লাভ, পুনর্মুদ্রিত, পুনর্বিচার, পুনর্বিবেচনা, পুনর্গঠন, পুনর্বাসন, পুনরুদ্ধার, পুনরাবৃত্তি, পুনরুক্তি, মূর্খ, খাস, অগ্রহায়ণ, পুষ্করিণী, শাশ্বত, শ্বশুর, শাশুড়ি, মনোযোগ, শিরশ্ছেদ, অঞ্জলি, গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি, রাত্রি, অপরাহ্ণ (ণ), পূর্বাহ্ণ (ণ), মধ্যাহ্ন (ন), সায়াহ্ন (ন), অভ্যস্ত, আশ্বস্ত, স্বস্তি, অস্বস্তি, বাধাগ্রস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত, হতাশাগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত, নিকটস্থ, দ্বারস্থ, মুখস্থ, কণ্ঠস্থ, মঞ্চস্থ, পদস্থ, অপদস্থ, সুস্থ, দুস্থ, পুরস্কার, পুরস্কৃত, তিরস্কার, নমস্কার, ভাস্কর, আবিষ্কার, দুষ্কর, বহিষ্কৃত, বহিষ্কার, নিষ্কাশন, নিষ্পাপ, নিষ্পত্তি, মস্তিষ্ক, সরকারি, বেসরকারি, বাড়ি, গাড়ি, শাড়ি, আসামি, আইনি, বেআইনি, ইরানি, জাপানি, ইংরেজি, হিন্দি, পাঞ্জাবি, কাশ্মিরি, আরবি, ফারসি, হিজরি, মালি,

পাগলামি, ফরিয়াদি, দিঘি, নানি, দাদি, মামি, চাচি, মাসি, দিদি, রেশমি, পশমি, সূচি, সূচিপত্র, কর্মসূচি, সরণি, পদবি, পঞ্জি, অঙ্ক, অঙ্কন, অঙ্কিত, অঙ্কুর, অঙ্গ, অঙ্গন, আকাঙ্ক্ষা, আঙুল, আশঙ্কা, ইঙ্গিত, উলঙ্গ, কঙ্কর, কঙ্কাল, গঙ্গা, চোঙা, টাঙা, ঠোঙা, দাঙ্গা, পঙ্‌ক্তি, পঙ্কজ, পঙ্ক, পতঙ্গ, প্রাঙ্গণ, প্রসঙ্গ, বঙ্গ, বাঙালি, ভঙ্গ, ভঙ্গুর, ভাঙা, মঙ্গল, রঙিন, লঙ্কা, লঙ্গরখানা, লঙ্ঘন, লিঙ্গ, শঙ্কা, শঙ্ক, শঙ্খ, শশাঙ্ক, শৃঙ্খল, শৃঙ্গ, সঙ্গ, সঙ্গী, সঙ্ঘাত, সঙ্গে, হাঙ্গামা, হুঙ্কার, স্বাতন্ত্র্য/স্বতন্ত্র, দারিদ্র্য/দরিদ্র, বাল্মীকি, ত্রিনয়ন, প্রণয়ন, উচ্ছ্বাস, সত্বর, চত্বর, তত্ত্বাবধায়ক, তত্ত্বাবধান, আয়ত্ত, তত্ত্ব, উপাত্ত, সত্তা, ব্যক্তিসত্তা, জাতিসত্তা, মানবসত্তা, অন্তঃসত্ত্বা, সত্ত্বেও, স্বত্বাধিকার, স্বার্থান্বেষী, বাগ্বিতণ্ডা, শরণার্থী, শরণাপন্ন, একাকী, একাকিত্ব, শাড়ি, লুঙ্গি, উচ্ছৃঙ্খল, মনোনীত, কীর্তন, রজনি, ব্যতীত, ব্যতিক্রম, ব্যতিরেকে, চাকরিজীবী, পেশাজীবী, কর্মজীবী, আইনজীবী, শ্রমজীবী, জীবিকা, জীবিত, মন্ত্রী, মন্ত্রিত্ব, মন্ত্রিসভা, মন্ত্রিপরিষদ, শ্রেণিকক্ষ, প্রাণী, প্রাণিবিদ্যা, প্রাণিতত্ত্ব, প্রাণিজগৎ, প্রাণিসম্পদ, মহৎ, মহত্ত্ব, মনুষ্যত্ব, পশুত্ব, দেবত্ব, ধর্মত, কার্যত, ন্যায়ত, করত, বস্তুত, ক্রমশ, প্রায়শ, হতভম্ব, মুরব্বি, ভিড়, পচা, পঞ্চাশ, পাঁচ, পঁচিশ, পঁয়ত্রিশ, সাঁইত্রিশ, পঁয়তাল্লিশ, পঁয়ষট্টি, পঁচাত্তর, পঁচাশি, পঁচানব্বই, আঁকাবাঁকা, চাঁদ, ছোঁয়া, দাঁত, ঠোঁট, ফাঁক, শুঁড়, কাঁকরোল, আঁতুর, ঝাঁকুনি, ফাঁদ, ইঁদুর, ঢেঁড়স, তেঁতুল, পুঁইশাক, পেঁপে, কুঁজ, পুঁজ, ধাঁধা, ষাঁড়, উঁচু, বাঁশ, কাঁঠাল, আঁশ, গুঁড়া, আঁধার, বাঁধাই, দুঃসহ, দুঃসময়, দুর্বিষহ, মৌসুমি, আভিজাত্য, আলস্য, সামর্থ্য, আতিথ্য, আধিক্য, কৌলীন্য, শৈথিল্য, বৈশিষ্ট্য, দৈর্ঘ্য, অর্ঘ্য, শৌর্য, সৌন্দর্য, কার্য, সূর্য, আশ্চর্য, হীনম্মন্যতা, মারপ্যাঁচ/মারপেঁচ, মনোমালিন্য, মরূদ্যান, ভূগোল, ভৌগোলিক, ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যদ্বাণী, গৃহিণী, সদ্ব্যবহার, এক্ষুনি, ইসলামি, হজ, আলহাজ, তফসিল, আসসালামু আলাইকুম, শাহাদত, শামস, শাবাশ, সালাম, সালাত, সানা, সফর, কিসমত, ইহসান,

ইনসান, ইনসাফ, নসিব, মুসল্লি, মুসাফির, ক্লাস, গ্লাস, গ্রিন, গ্রিক, গ্রিস, ব্রিটিশ, ব্রিটেন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, রিকশা, অটোরিকশা, অ্যাকাউন্ট, অ্যাকাডেমিক, অ্যাকসিডেন্ট, অ্যাড, অ্যাডভোকেট, অ্যাডভোকেসি, অ্যান্ড, অ্যাভিনিউ, অ্যাম্বুলেন্স, অ্যালার্জি, অ্যালবাম, অ্যাসিড, অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাইস্ট (বিতর্কিত:— খ্রিস্ট/খ্রিষ্ট, খ্রিস্টীয়/খ্রিষ্টীয়, খ্রিস্টাব্দ/খ্রিষ্টাব্দ, খ্রিস্টান/খ্রিষ্টান), মোটরসাইকেল, ডিগ্রি, চিফ, শিট, শিপ, নমিনি, কিডনি, ফ্রি, স্কিন, স্ক্রিন, স্কলারশিপ, পার্টনারশিপ, ফ্রেন্ডশিপ, সুপারিনটেনডেন্ট, শেক্সপিয়ার, স্টেশনারি, নোটারি, লটারি, সেক্রেটারি, টেরিটরি, ক্যাটাগরি, ট্রেজারি, ব্রিজ, প্রাইমারি, মার্কশিট, গ্রেডশিট, কি-বোর্ড, গিয়ার, লিডার, লিড, লিপ-ইয়ার, লিজ, নিট, রিড, রিডার, সিট, সি-বিচ, ড্রিম, স্পিকার, টিয়ার, ডিন, সিল, টিচার, টি, বিউটি, প্লিজ, রিলিজ, টিম, ক্রিম, আইসক্রিম, স্টিমার, জানুয়ারি, ফ্রেরুয়ারি, সমিল (করাতকল), প্রিন্ট, স্টোর, স্টাফ, স্টার, ইনস্টিটিউট, বাসস্ট্যান্ড, পেনসিল, ফটোস্ট্যাট, হর্ন, কর্নার, পর্ন, পর্নোগ্রাফি, মডার্ন, এশিয়ান, এশীয়, ইউরোপিয়ান, ইউরোপীয়, ইটালিয়ান, ইতালীয়, কোরিয়ান, কোরীয়, স্পেনিশ, স্পেনীয়, মিসরীয় ইত্যাদি।

সামাজিক যোগাযোগভিত্তিক সাইটগুলোতে ব্যবহৃত কিছু শুদ্ধ বানান— ব্লগিং, ব্লগীয়, পেজ, ফেসবুক, পোস্ট, স্টিক, রি-পোস্ট, ট্যাগ, মিস ইত্যাদি।

অ-তৎসম শব্দ অনুযায়ী দেশি, বিদেশি, বাংলাদেশি, শ্রেণি, পল্লি, নবি, মহানবি, শহিদ, প্রণালি, নির্বাচনি, বহুনির্বাচনি, নবাবি বানানগুলো পরিবর্তন হয়েছে।

সুপ্রিয় পাঠক

বিসিএস, ব্যাংক সহ যেকোন চাকুরি প্রস্তুতির সিলেবাস ভিত্তিক পড়াশোনার জন্য  *** জব স্টাডি অফিশিয়াল*** গ্রুপে জয়েন করতে ভুলবেন না কিন্তু!!