/

৩৬তম বিসিএসে সুপারিশকৃত ক্যাডারদের এই মুহূর্তের করণীয়

জব স্টাডি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিতঃ ৪:৩৫ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ১৮, ২০১৭

৩৬তম বিসিএসে যারা  সুপারিশকৃত হয়েছেন তাদেরকে জব স্টাডি টুয়েন্টিফোর ডট কম এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন। ক্যাডারে সুপারিশ হওয়া থেকে পদায়ন হওয়া পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এই ধাপগুলো সফলভাবে অতিক্রম করতে একজন সুপারিশকৃত ক্যাডারের এ মুহূর্তে করণীয় কি  এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন রাকিব আলম, প্রশাসন ক্যাডার, ৩৪তম বিসিএস

 

৩৬তম বিসিএসে ক্যাডার যারা হয়েছেন আপনাদের এই মুহূর্তের করনীয়…..

১.ধরে রাখুন আপনাদের পদায়ন আগামী অর্থ বছরে অর্থাৎ জুলাই ২০১৮ নিয়োগ হচ্ছে। কারন ৩৩,৩৪,৩৫ তমের চেয়ে আপনাদের টাইম কম লাগবে না অবশ্যই।সেটাও আবার দেশের অবস্থা সুস্থ থাকা স্বাপেক্ষে।কারন আগামী বছর নির্বাচন।

 

২.পুলিশ ও ডিসি দুটি ভেরিফিকেশন হবে। ৩৪ এর পর এনএসআই ভেরিফিকেশন গেজেটের আগে বাদ দেয়া হয়েছে। ৩৫ এর এনএসআই গেজেটের পর হয়েছে।পিএসসি থেকে আগামী ১৫-২০ দিনের মাঝে আশা করি সুপারিশকৃতদের রেজাল্ট জনপ্রশাসনে পাঠাই দিবে।

 

৩.জনপ্রশাসন থেকে এককপি আপনার নিজ জেলার ডিসি ও এককপি ডিএসবিতে ফরওয়ার্ড করা হবে। আপনারা খোঁজ রাখবেন নিয়মিত।তবে এটা পাঠাতে দেড় দুমাস লেগে যেতে পারে।প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ৩ সেট স্থায়ী ও ২ সেট বর্তমান ঠিকানায় রাখুন।অবশ্যয় সত্যায়িত।

 

৪. মেডিকেল হবে। বুকের এক্স-রে আর চোখ পরীক্ষা করে নিতে হবে আগ হতে।যদি আপনার চোখে বা বুকে কোনো প্রব্লেম থাকে, তাহলে আপনার নাম দিয়ে ভাল কারো রিপোর্ট নিয়ে যাবেন।

 

৫.আপনার মেডিকেল সেন্টারে(যেখানে টেস্টের জন্য আহবান করা হবে) ব্লাড ও ইউরিনের সেম্পল দিতে হয়।সেম্পল না দিয়ে রিপোর্ট মেনেজ করতে চেষ্টা করবেন।

 

৬.যাদের পলিটিকাল ঝামেলা হতে পারে মনে করেন,যেমন ;নিজে,বাবা,চাচা, স্বামী যদি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের লিডার হয়, দয়া করে আগেই মেনেজ করে রাখুন আপনার এলাকা।

 

৭.এই মুহূর্তে ব্যাপক ঘুরতে পারেন।পরিবারকে সময় দিন, খালা, চাচা,মামা, ফুফু।সবাই ব্যাপক আদর করবে। কারন জয়েনের পর নো টাইম। এডমিন,পুলিশ হলেত আরো নাই।ঈদ, পূজা ভুলে যেতে হবে।

 

৮.বিয়ের প্রপোজ বেশী আসবে এখন।সু্যোগ থাকলে অবিবাহিতরা(যদি সামর্থ্য থাকে) কাজ সারি নিতে পারেন।মুই কিন্তু এখনো পারলাম না।

 

৯.যারা কিছু করবেন চিন্তা করছেন তারা IELTS টা করে রাখতে পারেন। জয়েন পর কাজ দিবে আশা করি।

 

১০.গেজেট দেরীর অন্যতম কারন হচ্ছে যারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুপারিশপ্রাপ্ত, তাদের MOLWA(Ministry of Liberation Affair) থেকে প্রত্যয়ন অনেক দেরীতে জনপ্রশাসনে আসা। মিনিমাম দুটা সনদ তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড না থাকলে গেজেট হবে না। উপযুক্ত প্রার্থীগন খবর নিবেন।

 

১১.সবসময় সুস্থ থাকুন, আর চোখ রাখুন গেজেটের দিকে।মনে রাখবেন, বিসিএস ক্যাডার হওয়ার মজা ঐ গেজেট পর্যন্তই  ।তারপর সব প্যারা।

 

লেখক

রাকিব আলম

প্রশাসন ক্যাডার

৩৪তম বিসিএস

 

সুপ্রিয় পাঠক

বিসিএস, ব্যাংক সহ যেকোন চাকুরি প্রস্তুতির সিলেবাস ভিত্তিক পড়াশোনার জন্য  *** জব স্টাডি অফিশিয়াল*** গ্রুপে জয়েন করতে ভুলবেন না কিন্তু!!