/

জেনে নিন ব্যবসা শুরু করার কৌশল সমূহ(পর্ব-০১)

মো: রুকুনুজ্জামান রাসেল

প্রকাশিতঃ ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ১৮, ২০১৭

আপনার নিজের ব্যাবসা শুরু করা হতে পারে একটি উত্তেজনাপূর্ণ আর ফলপ্রসূ অভিজ্ঞতা। এটা অসংখ্য সুবিধা দিতে পারে … আপনাকে অসংখ্য গুরুত্বর্পূন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে হবে বিশেষ করে আপনার ব্যবসা শুরু করার প্রথম মাসে। ব্যবসা ব্যবসার গ্রহণযোগ্যতা যাচাই:ব্যবসা কোনো চ্যারিটি নয়, ব্যবসার প্রথম ও শেষ কথা হলো মুনাফা। নিজেকে সত্যের মুখে দাঁড়া করানো। নতুন ব্যবসা এমন হতে হবে যেন আপনি এটা করে কিছু মুনাফা অর্জন করতে পারেন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, আপনি যদি ক্রেতা হন, তবে আপনি কি আপনার এই সেবা বা পণ্যটি কিনবেন? একটু পরিসংখ্যান করুন, এই পণ্য বা সেবার পেছনে আপনার ব্যয় কত? একজন ক্রেতা কি সর্বোচ্চ মূল্য দেবে, যাতে আপনি মুনাফা করতে পারেন? আপনার পণ্য বা সেবার সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্য কীভাবে পরিসংখ্যান বা প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন, তা নিয়ে একটি ভিন্ন পোস্ট লিখব। মোট কথা যাচাই করুন, আপনার এই পণ্য বা সেবা দীর্ঘ মেয়াদে আপনাকে মুনাফা দিতে পারবে কি না? ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি:আপনার মনে হতে পারে, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ছাড়াও আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কিন্তু আর্থিক ধারণা সমন্বিত একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা আপনাকে এর গভীরে চিন্তা করার সুযোগ দেবে। এটা হবে আপনার ব্যবসায়ের জন্য একটি জীবন্ত সহায়িকা, যেটা আপনাকে গন্তব্যে পোঁছাতে সাহায্য করবে। টাকা জোগাড়:আপনি জানেন কি, যে ধরনের ব্যবসায়ের পরিকল্পনা করেছেন, তাতে কি পরিমাণ মূলধন লাগবে? এ ছাড়া প্রথম বছর আপনার ব্যক্তিগত খরচ কোথা থেকে আসবে, তা-ও জানুন। হয়তো আপনার ব্যক্তিগত খরচ (সাংসারিক) আপনার সঞ্চিত টাকা বা চাকরি কিংবা স্ত্রীর চাকরি থেকে আসবে এবং ব্যবসা শুরুর জন্য আর্থিক বিনিয়োগ প্রয়োজন—এমন জিনিসগুলো আগে থেকেই পরিষ্কার হোন। এমন নয় যে আপনি ব্যবসা শুরু করলেন এবং পরে চিন্তা করবেন যে টাকা কোথা থেকে আসবে। সুতরাং সব আর্থিক উৎস সম্পর্কে জানুন। পরিবারের সহযোগিতা:আপনার ব্যবসায়ের শুরুটা যেন পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধব থেকে শুরু হয়। তারাই আপনার ব্যবসার রেফারেল বিজনেস হিসেবে কাজ করবে। আপনার পণ্য বা সেবার গ্রাহক যেন আপনার পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধব হয়, অন্যথায় আপনার ব্যবসা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। ব্যবসার ক্ষেত্রে পরিবার যেন আপনার পাশে (শারীরিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে) থাকে। তবে এমনটি করতে গিয়ে কারও ওপর জোর করবেন না। ৫ উপায়ে ব্যবসার নতুন আইডিয়া:নতুন নতুন আইডিয়া ছাড়া কোন ব্যবসাকে প্রতিষ্ঠিত করা অসম্ভব।কিন্তু অনেক উদ্যোক্তারাই নতুন কি নিয়ে ব্যবসা ব্যবসা শুরু করবে তার আইডিয়া সংকটে থাকে।নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বলছি, যারা এখনও অনেকের কাছ থেকে জেনে শুনে কিংবা গুগলে সার্চ করেও নতুন কোন আইডিয়ার কুল কিনারা করতে পারেন নি, তারা চোখ বুলিয়ে দেখতে পারেন নতুন কোন আইডিয়া পেতে বাহিরে সবার সাথে কথা বলুন:নতুন কোন আইডিয়া খুঁজে বের করতে নিজে ঘরে বসে না থেকে বেড়িয়ে পরুন। কথা বলে দেখুন আপনার আশে পাশের মানুষের সাথে। তাদের কাছ থেকে শুনে কথা বলে বের হয়ে যাবে নতুন অনেক আইডিয়া।বাংলাদেশের এলাকা ভিত্তিতে একেক যায়গায় ব্যবসা করতে যেয়ে টাকার পরিমাণও একেক ধরণের হয়।তাই বাজেট তৈরি করতে বেশ কিছু অভিজ্ঞ মানুষের পরামর্শ নেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। নিজেকে আগে বাজিয়ে দেখুন:কোন ব্যবসা শুরু করার আগে বেশ কিছু প্রশ্ন আপনি নিজেকেই করতে পারেন। আপনি নিজে কি কাজ করতে পছন্দ করেন? আপনি কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল পারেন? ব্যবসা সংক্রান্ত টিপস দিতে উদ্যোক্তাদের নিজেদেরকেই এই দুটো প্রশ্ন করতে বলেছেন বিজনেস এনালাইসিস নিয়ে কাজ করা লাইট ক্যাসেল পার্টনারসের সিইও বিজন ইসলাম।সিটি ব্যাংকের ভাল সম্মানীর চাকরি ছেড়ে বিজনেস এনালাইসিসকে নিজের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি।তার মতে, নতুন উদ্যোক্তাদের এই দুটি প্রশ্নের উত্তর বের করে সেই অনুযায়ী কাজ করে যাওয়াই ভাল। সেভেন্টিন ইভেন্ট অর্গানাইজেশনের সিইও শাহিন রহমান বলেন, ‘ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোন গ্রাউন্ড ব্রেকিং আইডিয়া নয়।আমরা নিজেরা মজা করতে করতে আমাদের কাজ করে যাই’।তাই তিনিও মনে করেন নিজের মন থেকে খুশী হয়ে যেই কাজ করা হয় সেটাতেই সফল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী। বাংলাদেশের সমস্যা সমাধান করা যাবে এমন ব্যবসা শুরু করতে পারেন:বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে ব্যবসা করতে হলে অনেক গুলো বিষয় রাখতে হয়। যে কোন সময় যে কোন বিষয় সমস্যা হিসেবে আসতে পারে। বর্তমানে ট্রাফিক জ্যাম এদেশের বড় একটি সমস্যা। তাই এই সমস্যাটি মাথায় রেখে নতুন কোন ব্যবসা দাঁর করানোর চিন্তা করতে পারেন। শুধু বড় সমস্যার দিকে তাকালেই হবে না, ছোটখাটো সমস্যার সমাধানও অনেক উপকারে আসতে পারে যে কোন মানুষের জন্য। ছোট খাট বিষয়ের মধ্যে হতে পারে কম দামে আইসক্রিম, সাইকেল পার্টসের দোকান বা এলাকার কাজে আসতে পারে এমন কোন ছোট কাজও উপকারে আসতে পারে অনেকের। উদাহরণ হিসেবে দেয়া যায়, হলিউড অভিনেত্রী জেসিকা অ্যালবার কথা। তিনি নিজে সন্তান জন্ম দেয়ার পর ওনেস্ট কো নামে নতুন একটি কোম্পানি পরিচালনা শুরু করে। এই কোম্পানির লক্ষ্য বাচ্চাদের জন্য পরিবেশ বান্ধব পণ্য সামগ্রী বাসায় পৌঁছে দেয়া। বর্তমানে কোম্পানিটির বাজার মূল্য এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই ছোট খাট কোন বিষয়কে এড়িয়ে না যেয়ে বরং সেটা নিয়েই চিন্তা ভাবনা করা উচিৎ। অপরিচিত মার্কেটের কথা মাথায় রাখতে হবে:‘জেসিসি জামিল কমিক্স’এর ব্যবসা শুরু করে একেএম আলমগির খান এখন বেশ জনপ্রিয়। ছোটবেলা তিনি যেমন কমিক্স পড়ে সময় কাটিয়েছেন এখনকার বাচ্চারাও যেন তেমন শৈশবের স্বাদ পেতে পারে এমনটাই চেয়েছিলেন জামিল।এরপর এমন একটি অপরিচিত মার্কেটের কথা মাথায় রেখে কমিক্স ব্যবসা চালিয়ে গিয়েছেন তিনি। এখন তিনি জেসিসি কমিকনের মত বিভিন্ন ইভেন্টেরও আয়োজন করছে। ফেসবুকে তাদের প্রায় পাঁচ হাজার ফলোয়ারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগও রাখছেন জেসিসি। সম্ভাবনাময় ব্যবসা শুরু করতে পারেন:অনেক সময়ই পরিস্থিতি এবং সময়ের প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়ে দেয় কোন ব্যবসা ভবিষ্যতে সাড়া ফেলতে পারে। তারই উদাহরণ হিসেবে দেয়া যায় ম্যাগনিটো ডিজিটালের কথা। ডিজিটাল মার্কেটিং এর সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে রিয়াদ শাহরিয়ার হোসেন ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি ম্যাগনিটো ডিজিটালের যাত্রা শুরু করেন। সেই সময়ে বাংলাদেশের অনেকেই ‘ডিজিটাল মার্কেটিং’এর কথাও শুনে নি।কিন্তু তারপরও তিনি এই প্রতিষ্ঠানকে দাঁর করাতে চেষ্টা করে গেছেন। তার মতে, ভবিষ্যতে পৃথিবীতে কি সমস্যা আসতে পারে বা কি বিষয়ে ব্যবসা শুরু করলে সফল হওয়া যাবে, সেই চিন্তা করে নতুন ব্যবসায় হাত দেয়া উচিৎ। তিনি আরও জানান, ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট অনেক বেশী সহজলভ্য হতে শুরু করে। সেই প্রেক্ষিতেই ২০১৩ সালের শুরুতে ম্যগনিটো ডিজিটালের যাত্রা শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ, এখন প্রতি মাসেই আমাদের লভ্যাংশ বেড়ে চলেছে । এখন আশা যাক কাজের কথায়, অনেক ধরণের ব্যবসায়িক বুদ্ধিইতো আমাদের মাথায় আসে, কিন্তু হিসাব নিকাশ করে দেখা যায় বেশীর ভাগ আইডিয়াই সফল করতে অনেক বেশী সময়,অবকাঠামো,মূলধন এবং জনবলের প্রয়োজন। তবে যত বাধাই থাকুক; পরিস্থিতি, ব্যবসার ধরণ, সাম্প্রতিক এবং ভবিষ্যতের মার্কেট বিশ্লেষণের পর সাহস করে নতুন একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে এখনই কাজ শুরু করে দিন। ব্যবসায়ের জন্য নাম ঠিক:ব্যবসায়ের নাম ঠিক করার জন্য আপনার পণ্য বা সেবার গ্রাহক কারা—এ কথাটি মাথায় রাখুন। অন্য কোম্পানির নাম নকল করে নামকরণ করবেন না। কোম্পানি নিবন্ধন ওয়েবসাইট থেকে নিশ্চিত হোন যে আপনার বাছাই করা নামটি ইতিমধ্যে অন্য কোনো কোম্পানি নিবন্ধন করেছে কি না। কোম্পানির জন্য ডোমেইন:ব্যবসায়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে একটি ডোমেইন নাম নিবন্ধন করুন। আপনি যদি ফ্রি ডোমেইন নিবন্ধন করেন, তবে এমনটি মনে হতে পারে যে হয়তো আপনার ব্যবসাটি সত্যিকারে ব্যবসা নয় অথবা আপনি দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবসা করতে চান না। এ ছাড়া ফ্রি ডোমেইন সাইটগুলো মানুষের কাছে অতটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কোম্পানি গঠন:দেশের প্রচলিত আইনে কোম্পানি গঠন করুন। আপনার কোম্পানির গঠন কী হবে, তা পরামর্শকের সঙ্গে আলোচনা করুন। আইনবিষয়ক দিকগুলো একজন কোম্পানিবিষয়ক অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন, যা আপনাকে ভবিষ্যতে বিপদ থেকে নিরাপদ রাখবে। টিন-এর জন্য আবেদন:ট্যাক্স পরিচয় নম্বর বা কর্মচারীদের পরিচয় নম্বরের জন্য আবেদন করুন। দেখে নিন দেশের প্রচলিত আইনে কোনটি প্রযোজ্য। এটা আপনার কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া বছর শেষে যখন ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করবেন, তখন প্রয়োজন হবে। নামের ছাড়পত্র নেয়ার জন্য যে সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে তাহলোঃ

ক) প্রথমেই এই লিংক এ http://www.roc.gov.bd গিয়ে একটি আইডি খুলুন।
খ) নামের ছাড়পত্র চেয়ে একটি আবেদন করতে হবে।
গ) আবেদন পত্রটি রেজিষ্ট্রার জয়েন্টস্টক এর বরাবর করতে হবে।
ঘ) নামের ছাড়পত্রের জন্য নির্ধারিত ফি, নির্ধারিত ব্যাংক এ জমা রশিদ সাথে দিতে হবে।
ঙ) আপনার পছন্দের নামটি অন্য আগের যে কোন নামের সাথে মিলে যেতে তাই আগে থেকেই তিনটি নাম আবেদনপত্রে উল্লেখ করে দেওয়া ভাল।
চ) নামের ছাড়পত্রটি ১৮০দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে এর মধ্যেই আপনাকে রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফি জমা দিতে হবে। অন্যথায় আপনার নামের ছাড়পত্রটি বাতিল হয়ে যাবে।

ট্রেড লাইসেন্স:ট্রেড লাইসেন্স খোলার জন্যে নিন্মোক্ত কাগজপত্র এবং অনুমতি-পত্র লাগবে। সাধারণ ট্রেড লাইসেন্সঃ ভাড়ার রশিদ অথবা চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি, এবং হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের কপি।

শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্সঃ

উপরোক্ত সবগুলি ডকুমেন্টসমূহ, এবং এর সাথে-
– পরিবেশ সংক্রান্ত অনাপত্তি পত্র
– প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র
– অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র
– ডি.সি.সি. র নিয়মাবলী মেনে চলা হবে এমতে ১৫০ টাকার জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারপত্র
– ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি

ক্লিনিক অথবা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রেঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন।

লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রেঃ
– মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল
– সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন

• ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে – ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি
• রিক্রুটিং এজেন্সীর ক্ষেত্রে – মানবসম্পদ রপ্তানী ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স
• অস্ত্র ও গোলাবারুদের ক্ষেত্রে – অস্ত্রের লাইসেন্স
• ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে – ড্রাগ লাইসেন্সের কপি
• ট্রাভেলিং এজেন্সীর ক্ষেত্রে – সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি
কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন

আবেদনকারী তার নামের ছাড়পত্র নিয়ে তার কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সহ নির্ধারিত আবেদর ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করবেন। যেভাবে আবেদন করতে হবে-

ক) রেজিষ্ট্রেশনের জন্য নির্ধারিত ফি, নির্ধারিত ব্যাংক এ জমা দিতে হবে।
খ) জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর নির্ধারিত ফরমে কোম্মেপানীর মোমোরেন্ডাম এবং আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন তৈরী করতে হবে। কোম্পানীর ধরন অনুযায়ী আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।
গ) জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর নির্ধারিত ফরমে জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর ওয়েব সাইটে গিয়ে অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করতে হবে।

কিভাবে অনলাইনে কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করবেন: কোম্পানী আইন ১৯৯৪ এর ধারা অনুযায়ী প্রাইভেট এবং পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে- কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য পুনরায় এই সাইটে http://www.roc.gov.bd ফরম ট্যাব থেকে কোম্পানি/বাণিজ্য সংগঠন এ প্রবেশ করতে হবে।
-এবার Apply for Registration এ ক্লিক করুন
– এবার কোম্পানীর ধরন চিহ্নিত করুন।
-এবার আপনার কোম্পানীর নামের ছাড়পত্রের সিরিয়াল নম্বর (Submission no.) এবং আবেদন নম্বর (Letten no) বসিয়ে Continue বাটন এ ক্লিক করে কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর পাতায় প্রবেশ করুন।
– নির্ধারিত ফরমটিতে প্রয়োজনী তথ্যগুলো শতর্কতার সাথে পূরন করুন।
– এবার মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়শন (Memorandum of Association) নির্ধারিত ফরমেট এ তথ্য বসিয়ে পূরন করুন।
– এবার আর্টিকেল অব এসোসিয়শন (Article of Association) নির্ধারিত ফরমেট এ তথ্য বসিয়ে পূরন করুন।
বিঃ দ্রঃ- মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়শন (Memorandum of Association) ও আর্টিকেল অব এসোসিয়শন (Article of Association) এর নমুনার (Sample) জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন- http://www.roc.gov.bd

-এবার ভাল করে পূনরায় মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়শন (Memorandum of Association) ও আর্টিকেল অব এসোসিয়শন (Article of Association) এর সকল তথ্য ভাল করে একাধিক বার চেক করুন তারপর Submit করে Continue করুন।
-এবার টাকার রশিদের তথ্য দিন এবং Submit করুন। বাকি আলোচনা পর্ব ২

সুপ্রিয় পাঠক

বিসিএস, ব্যাংক সহ যেকোন চাকুরি প্রস্তুতির সিলেবাস ভিত্তিক পড়াশোনার জন্য  *** জব স্টাডি অফিশিয়াল*** গ্রুপে জয়েন করতে ভুলবেন না কিন্তু!!

জব স্টাডি টুয়েন্টিফোর. কম/আরআর