/

নিজের মধ্যে অনঢ় বিশ্বাস তৈরির ১১টি কৌশল

জব স্টাডি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিতঃ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ২২, ২০১৭

নূর মোহাম্মদ ছোটন: সফলতার জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস, যেটি আপনি নিজের মধ্যে সবসময় রাখেন; পারলে দিনে ২৫ ঘন্টা কিংবা ১১০% দিয়ে হলেও করতে চান। কিছু বিশ্বাস আছে যেগুলো প্রাকৃতিকভাবে আসে আবার কিছু বিশ্বাস আছে যেগুলো বছরের পর বছর অনুশীলনের দ্বারা অর্জন করতে হয়। চর্চার মাধ্যমে বিশ্বাসকে আস্থায় পরিনত করতে হয়।একজন বিলিয়নিয়ার,আইকন’স এবং বিশ্বমানের সফল ব্যক্তি নিজের মধ্যে দৃঢ় বিশ্বাস তৈরির উপায়কে কিভাবে ত্বরান্নিত করেন এমন কিছু উদাহরণ দেখবোঃ

 

১। মনকে জয় করুন

হতে পারে আপনি এমনিতেই অনেক বেশি আত্নবিশ্বাসী। কিন্তু একের পর এক প্রতিবন্ধকতা আপনার বিশ্বাসকে নড়বড়ে করে দিতে পারে, কমিয়ে দিতে পারে আপনার দক্ষতা। অপ্রতিরোধ্য বাধাকে দমিয়ে রাখার জন্য আপনার প্রতিজ্ঞাকে স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ করতে হবে। বিজয়কে স্পষ্টভাবে সামনে দেখার শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার আত্নবিশ্বাস যতবেশি মজবুত হবে, নেতিবাচক চিন্তাভাবনা ততবেশি দুর্বল হয়ে পড়বে। মোটকথা আপনার আত্নবিশ্বাস এখানে প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করবে।

মনকে জয় করার প্রক্রিয়াটি বিরাট উদ্যম তৈরি করে যা দিয়ে আপনি যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবেন। প্রতিদিনের কাজের মধ্যে ছোট ছোট সফলতাকে খুঁজে  বের করুন যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনার টার্গেট সম্পন্ন হয়। এতে করে আপনার মধ্যে পোক্ত আত্নবিশ্বাস তৈরি হবে।মার্ক ডিভাইন, রিটায়ার্ড আমেরিকান নেভী সীল কমান্ডার।

 

২। ক্ষণিক অবিশ্বাসের কারণ গুলো বের করুন

প্রতিদিন আপনার শক্তি, সীমাবদ্ধতা এবং বাস্তবতাকে সততার সাথে যাচাই করুন, মাঝে মাঝে আপনি নিজেকে বিশ্বাস করতে পারবেন না, তখন ধরে নিবেন -“ ওহ_ আচ্ছা ঠিক আছে”।

যখন আপনি খুজে বের করতে পারবেন এবং দেখবেন যে এই ক্ষণস্থায়ী অবিশ্বাসগুলোর মূল কারণ কী, তখন আপনি নিজেই বের করতে পারবেন সামনের দিকে  এগুতে হলে কী কী করার প্রয়োজন। কৌশলগত কোন পরিবর্তন করতে হলে যেকোন অভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছে পরামর্শ নিন, তথ্য সংগ্রহ করুন, প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করুন।  মোদ্দা কথা হচ্ছে সামনের দিকে যাওয়ার কঠোর প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফলতাই এনে দেয় অন্য কিছু নয়। -ডেনি রিঞ্জেলম্যান, ফাউন্ডার এবং চীফ ডিভাল্পমেন্ট অফিসার অব ইন্ডিয়াগো ।

 

৩। নিজেকে বিশ্বাসের উপর নিমগ্ন রাখুন

এটা খুবই অদ্ভূত যে, আমাদের জীবনের লক্ষ্যকে বিশ্বাস করতে প্রায়শই ৩য় পক্ষের প্রয়োজন পড়ে, যেটা হবার কথা নয়। শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তারা বারংবার বলেন যে, তারা বেপরুয়া,তবে সেটা অবশ্যই যৌক্তিক এবং বাস্তবতার সাথে সম্পৃক্ত। সামাজিক চাপ সবসময় চার পাশ থেকে আসবেই। বেশিরভাগ খবরের মাধ্যমগুলো নেতিবাচক সংবাদের মাধ্যমে আমাদেরকে ভীত করে দেয়, স্বাভাবিক চিন্তার বাইরে কোন কিছু চিন্তা করতে দেয়না। ঝুকিপূর্ণ কাজে উৎসাহপূর্ণ খবরের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত করে না।

আত্নবিশ্বাস হচ্ছে প্রচলিত নিয়মের বাইরে অনেকক্ষেত্রে নিজ সামর্থেরও অনেকবেশি যেকোন নেতিবাচক, ঝুকিপূর্ণ কাজের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকা। যখন নিজের বিশ্বাস এবং প্রতিজ্ঞার জন্য উম্মাদ হয়ে যান কেবল তখনই নিজেকে সত্যিকার ভাবে বিশ্বাস করতে পারবেন। -টিম ড্রাপের, লিজেন্ডারি ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট।

 

৪/ উদ্দ্যমী থাকুন

অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অদম্য বিশ্বাস তৈরি হয়। অনেক আগে আমার একটি কোম্পানীতে খুব মন্দা চলছিল। আমার স্ত্রী অবাক হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করল এই রকম একটি সমস্যার পরেও আমি কিভাবে এতো হাস্যোজ্জ্বল থাকি, এর রহস্যটা কী জানার জন্য খুব উৎসুক হয়ে গেল। আমি বললাম এটা হচ্ছে সফল হওয়ার প্রথম ধাপ। এটা সত্য যে, আমার কিছু বিনিয়োগ ২০, ৩০ এমনকি ১০০ বারও ব্যর্থ হয়েছে। আমার জীবনে সফলতার চেয়ে ব্যর্থতাই বেশি রয়েছে। ৫০০টি বিনিয়োগের মধ্যে প্রায় ৩০০ এর অধিক লোকসান হয়েছে। আমি আমার সব অর্থ খুইয়েছিলাম। কিন্তু আমার ১০০ বিনিয়োগ থেকেই প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। তাই আমি লোকসান কে পরওয়া করিনা।

ব্যর্থতা পরবর্তী ধাপে পৌছানোর একটি শর্ত বিশেষ। কিন্তু এটি প্রথম জীবনে আমাকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছিল। আমি দেখতে পেলাম যে, আমার কারখানার ৪টি প্রকল্পের মধ্যে ৩টিই ব্যর্থ হয়েছে। ব্যর্থতা খুব দ্রুতগামী এবং সহজ। প্রতিটা ব্যর্থতার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ব্যর্থতার কারণ নির্ণয় করুণ ও কিভাবে উত্থান সম্ভব তা খুঁজে বের করুণ।

উইন্সটন চার্চিল বলেছিলেন-“সফলতা হচ্ছে বারবার হারার পরও উদ্যমী থাকা”। চেষ্টা করতে থাকুন । যারা নিজেদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে ব্যর্থতাকে ইতিবাচকভাবে নিতে পারে, তারাই নিজেদের গন্তব্য নিয়ন্ত্রণে সমর্থ হয়ে  থাকে ।-কেভিন হ্যারিংটন, টিভি বিজ্ঞাপনের প্রবর্তক  

 

৫/ চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনুন

আমার গোপন কৌশল হচ্ছে , আমি যখন কোন  কাজ করতে যাই তখন চিন্তা করি যে, কাজটি আমার দায়িত্ব এবং এই কাজের জন্য আমিই নির্বাচিত এবং নির্ধারিত। তাই কাজটি পরিপূর্ণভাবে সমাপ্ত করা ব্যাতিত আমার অন্য কোন উপায় নেই।

যখন আমি STAR TREK REBOOT সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখার পরিকল্পনা করি, তখন মনে হল- আমি এমন কে, যিনি এই সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার গ্রহণ করবো? কিন্তু পরবর্তীতে আমাকেই এর অভিভাবক বলে মনে হল। আমার চূড়ান্ত ভাবনা ছিল এমন যে, আমি যদি কাজটি করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়েও ফেলি তবু এই কাজের দায়িত্ব আমাকেই নেওয়া উচিত, কারণ আমি এমন কাউকে দিতে পারিনা যে কিনা এটাকে তালগোল পাকানোর জন্য হলেও আমলেই নিবে না।

যদি আপনি অধ্যাবসায়ী হোন, তাহলে আপনার জন্য অর্ধেক সফলতা নিশ্চিত। যদি আপনি কোন দায়িত্বপ্রাপ্ত হোন- হোক সেটা চাকুরীর কিংবা নিজস্ব প্রেরণার, দায়িত্ব এমন ভাবে পালন করবেন যেন এটি করা ব্যাতিত আপনার আর কোন বিকল্প নেই। আপনি যুদ্ধে পরাজিত হতে পারেন, তবু অন্তত ১১০% শক্তি দিয়ে প্রচেষ্টা করুন, এবং মনে করুণ আপনিই এর জন্য উপযুক্ত অন্য কেউ নয়। -রবার্টো অরকি, হলিউড চিত্রনাট্য লেখক ।

 

৬/কর্মদক্ষতা বৃ্দ্ধি করুন

আমার একজন কোচ- পোঁ রিচার্ডসন, যিনি দীর্ঘ ১০ বছর NBA এর খেলোয়াড় ছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন, “তোমার কর্মদক্ষতাই তোমার আত্নবিশ্বাস।”। আমাদের পাঠদান ব্যাবস্থার একটি অন্যতম ত্রুটি হচ্ছে যে, আমাদের কোন ব্যাবহারিক শিক্ষা দেয়া হয়না। তাই আমাদের আত্নবিশ্বাসে ঘাটতি থাকে এবং একারণেই আমরা অযাচিতভাবে অহংকার করি এবং আত্নবিশ্বাসী হওয়ার অভিনয় করি। কিন্তু আমাদের মস্তিষ্ক মোটেও সেইরুপে কার্যকর নয়।

 

আমাদের মস্তিষ্ক উপযুক্ত “অনুভূত” হওয়া আবশ্যক, যেন এটি আমাদের আত্নবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে। পোষাক পরিচ্ছদে স্মার্ট হোন। ব্যাবহারিক দক্ষতা অর্জন করুন। প্রোগ্রামিং এবং উন্মুক্ত বক্তব্য দেওয়া শিখুন। ব্যায়াম করুন। ব্রাজিলিয়ান জিও জিৎসু এর মত কোন একটি বিখ্যাত খেলা রপ্ত করুন এবং সেই খেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করুন।  -টাই লোপেজ, investor and adviser to many multimillion-dollar businesses, who has built an eight-figure online empire; connect with Tai on Facebook or Snapchat

 

৭। উপরি সুবিধাগুলো খুঁজে বের করুন

নিজের উপর কঠোর হওয়া খুব সহজ। কিন্তু আমি এমন কাউকে পাইনি যে কিনা এই বাড়তি সুবিধাগুলো গ্রহন করেনা। আপনি এমন কী কী সুবিধা নিচ্ছেন তা খুঁজে বের করার জন্য ছোট ছোট নোট করুন, এবং দেয়ালে টাঙিয়ে রাখুন। এক সময় এই তালিকাটি অনেক বড় হয়ে যাবে। প্রতিদিন যা দেখছেন তার মধ্যে থেকে আপনি ৫ থেকে ১০ টি শিক্ষনীয় বিষয়   মোবাইলের হোমস্ক্রীনে লিখে রাখুন। প্রতিদিন নিজেকে যাচাই করুন এবং উপলব্ধি করুন কেন আপনি অনন্য। আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার মধ্যে এমন কিছু গুনের সন্নিবেশ ঘটেছে যা কখনোই বিনাশ হওয়ার নয়। -স্কট ওল্ডফোর্ড, founder of INFINITUS; helps six-figure businesses scale to seven figures using online marketing

 

৮। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করুন

আপনি আপনিই, আপনিই আপনার শক্তি। আপনিই যদি আপনাকে বিশ্বাস না করেন তাহলে কে করবে?? আত্নবিশ্বাস হচ্ছে সংক্রামক। মানুষ তাদের চারদিকেই ভীড় করে যারা আত্নবিশ্বাসী এবং উচ্চমাত্রায় অনুপ্রেরণা যোগায়। ব্যর্থতায় অসাড় হওয়া যাবেনা। ব্যর্থতা থেকে শিখতে হবে। প্রতিটি ব্যর্থতাকে অনুশীলন হিসাবে নিতে হবে।  এক একটিকে বোনাস ধরে কর্মক্ষেত্রে উপভোগ করতে হবে। এসময় আপনি একটা প্রমোদ ভ্রমনে বের হতে পারেন যা আপনাকে প্রেরণা যোগাবে।

মনের জোর খুব শক্তিশালী, মনকে যেভাবে লালন করবেন সেও ঠিক তাই বিশ্বাস করবে।, আপনি যতবেশি ইতিবাচক হবেন আপনি তত  দ্রুত লক্ষ্যের দিকে ধাবিত হবেন। নিজের কাজে মনোনিবেশ করুন , নিন্দুকদের পরিহার করুণ। -লেইলা মিলানি-খোশবিন, ফাউন্ডার অব লেইলা মিলানি হায়ার।

 

৯। ব্যর্থতা কে আলিঙ্গন করুন

ব্যর্থতা কে অর্জন হিসাবে দেখুন ,লোকসান হিসাবে দেখার কোন অবকাশ নেই। একবার আমি মিয়ামি বিচের একটি অপরিচিত জায়গায় গিয়েছিলাম একটি এপস উদ্ভাবনের জন্যে এবং এই  এপসটির অনেক চাহিদা ছিল বলে প্রথমে আমি ৪০,০০০ ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাকে ১৫০,০০০ ডলার লোকসান হয়েছিল। এটি ছিল আমার মূল যোগ্যতার বাইরের কাজ কিন্তু এটি আমাকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আমি যখন আমার আমি সর্বোচ্চ যোগ্যতা দিয়ে কোন কাজ করেছি সব কাজেই সফল হয়েছি।

আপনার একান্ত দক্ষতা আপনার আসক্তিকে আরোও নিবিষ্ট করে রাখবে যেগুলো আপনি জানেন এবং ভালবাসেন, সর্বোপরি।আপনাকে কাঙ্খিত জায়গায় পৌছে দিবে। যখন আমার বয়স ৫ বছর আমার বাবা আমাকে তার কারখানা পরিদর্শনে নিয়ে যান,যেখানে ঔষধ কোম্পানির জন্য ক্যাপ্সুলের আবরন বানানো হতো। আমি প্রডাকশন লাইনের মধ্যে হাত বিদ্দ করেছিলাম এবং অনেকগুলো ক্যাপ্সুল নষ্ট করেছিলাম, কোন কিছুই তোয়াক্কা করতাম না, আমি শুধু আমার কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলাম। Jonathan Gilinski, serial entrepreneur, executive director of CapsCanada and founder of Capsuline

১০। কাজে লেগে থাকতে হবে

আপনি যদি নিজের মনকে আয়ত্ত করতে না পারেন তাহলে সেই আপনার উপর প্রভুত্ত্ব স্থাপন করবে, আপনার উদ্দেশ্যকে কটূঘাত করবে, অর্থ, বৃত্তিকে ঘায়েল করবে। আপনার দৃষ্টি রাখুন নিজের দর্শনের উপর যেটি আপনি সৃষ্টি করতে চান। আপনার অনুভূতিকে শ্রবন করুন,অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন বুদ্ধিমত্তাকে জাগিয়ে তুলুন। অধিকাংশ সফল ব্যক্তিরা অন্ত্রের সহজাত প্রবৃত্তি থেকেই উদ্ভাবনীমূলক কাজ করে থাকেন।

বিশ্লেষণ করার অক্ষমতাকে দূর করুন। আপনার মনোযোগকে ইতিবাচকভাবে কেন্দ্রীভূত করুণ, নিজেকে আপনার কাজে নিবন্ধ করুণ। আর যদি তা না করতে পারেন তাহলে ৫ টি নেতিবাচক অন্তর্জালে জড়িয়ে পড়তে পারেন যেমনঃ আপনার মধ্যে অবিশ্বাস, সন্দেহ, সংকীর্ণ মানসিকতা, ত্যাগ করার মানসিকতা এবং বাতিল করে দেওয়ার প্রবনতা, যেগুলো আপনার আত্নবিশ্বাসকে ধ্বংস করে দিবে, ভাল মন্ধ বোঝার ক্ষমতাকে নষ্ট করে দিবে।

নিজেকে ইতিবাচক, সমমনা মানুষদের দ্বারা ঘিরে রাখুন, সফলতাকে মজা এবং উপভোগ্য করে ভাবুন। তাদের সাথেই মেলামেশা করুণ যারা আপনার অনুভূতিকে বুঝবে এবং আপনার সপ্নকে যত্ন করবে। আত্নবিশ্বাসী হন, নিজের সক্ষমতাকে বিশ্বাস করুণ যে, আপনাকে দিয়েই হবে, আপনিই বিজয় ছিনিয়ে আনবেন। -মারিয়ানা রোজ, QDNA®, founder and developer of Quantum DNA Acceleration®, a revolutionary technique for quantum growth in health, life and business

 

১১। সঠিক প্রত্যাশা নির্বাচন করুন

আপনি ভুল করা ছাড়া রাতারাতি সফল হয়ে যাবেন এমনটা ভাবতে পারেন না। আপনি যদি পজিশন না নিয়েই ব্যাট হাকান তবে ব্যাটে বলে সংযোগ নাও হতে পারে, জীবনের ক্ষেত্রেও একই। আপনি অনেক চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু একটি সঠিক স্ট্রাইক আপনার জীবনকে পরিবর্তন করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। -লরেন ইয়াডেস্কি,  COO of Crimcheck and founder of Aggressive Development

তথ্যসূত্র: সাকসেস ডট কম এর অবলম্বনে ভাবানুবাদ