/

Today’s Daily Star Editorial (Jan-31)

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ | জানুয়ারি ৩১, ২০১৮

→ Muzzling freedom of expression
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা স্তব্ধ/বন্ধ
→ Govt should reconsider the proposed Act
প্রস্তাবিত আইন পুনর্বিবেচনা করা উচিৎ সরকারের

■ Word meanings:
→ muzzling
মুখবন্ধ করা, স্তব্ধ করা
→ consternation
ত্রাস, আতঙ্ক, হতবুদ্ধি অবস্থা
→ widespread consternation
ব্যাপক আতঙ্ক/ত্রাস
→ much-criticised
বহুল সমালোচিত
→ draconian
কঠোর, কাঠোর আইন-সংক্রান্ত
→ pass into law
সংসদে/বিধানতন্ত্রে পাস করা
→ curb
দমন করা, বাধা, প্রশমিত করা
→ independent journalism
স্বাধীন সাংবাদিকতা
→ spying
গুপ্তচরবৃত্তি, গোয়েন্দাগিরি
→ punishable offence
দন্ডনীয় অপরাধ
→ precisely
অবিকল, সঠিকভাবে
→ ambiguity
অস্পষ্টতা, দ্ব্যর্থতা, অনিশ্চয়তা
→ vague
অস্পষ্ট, অনিশ্চিত, অনির্দিষ্ট
→ terms
শর্তাবলী, শব্দ, মেয়াদ
→ intimidate
ভয় দেখান, আতঙ্কিত করা
→ provisions
রসদ, বিধান
→ curtailed
সঙ্কুচিত, কমান
→ online sphere
অনলাইন ক্ষেত্র
→ deem
বিবেচনা করা, মনে করা
→ incarceration
কারারোধ
→ redundant
অপ্রয়োজনীয়, অতিরিক্ত, অনাবশ্যক,বাড়তি
→ conferred
প্রদত্ত, নিক্ষিপ্ত, নিহিত
→ whereby
যদ্দ্বারা, তদ্দ্বারা
→ unthinkable
অভাবনীয়, অচিন্তনীয়
→ presumed
ধারণা, অনুমান করা
→ scrap
ছাঁট, বর্জিতাংশ, ক্ষুদ্র টুকরা
→ throttle
গলা টেপা, কণ্ঠরোধ করা, শ্বাসরোধ করা, দমন করা
→ thanks to
ফলে

■ Translation:

➢ The draft Digital Security Act 2018 was approved by the cabinet on January 29.

২৯ জানুয়ারী মন্ত্রীসভা ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮’র খসরা/নকশা/পরিকল্পনাটি অনুমোদন করে।

➢ It has caused widespread consternation not only among journalists, but also free thinkers, rights activists and public in general.

সাংবাদিক থেকে শুরু করে মুক্ত চিন্তাবিদ, মানবাধিকার কর্মী, সাধারণ জনগন সবার মাঝেই এটি ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

➢ It is basically old wine in a new bottle and the much-criticised Section 57 has been carefully divided and kept separately in four sections of the draft Act, with an even more draconian character.
বহুল সমালোচিত ৫৭ ধারাকে সযত্নে/সাবধানে/ভাল করে বিভক্ত করা হয়েছে এবং এই খসরা আইনের চারটি ধারায় এমনকি আরো কঠোর আইনি বৈশিষ্ট্য সহ পৃথকভাবে রাখা হয়েছে, এটা মূলত নতুন মোড়কে পুরণো পণ্য রাখার মত।

➢ The proposed Act, if passed into law, will curb freedom of speech and expression.

প্রস্তাবিত এই আইন যদি বিধানতন্ত্রে/সংসদে পাস হয়, মতপ্রকাশ ও বাকস্বাধীনতাকে বিনষ্ট করবে।

➢ It will also hamper independent journalism.
স্বাধীন সাংবাদিকতারও ক্ষতিসাধন করবে।

➢ There are sections that would prevent reporters from collecting information from government offices as this might fall under “spying” as mentioned in the draft—a punishable offence where an accused may face up to 14 years in jail or Tk 20 lakh fine or both.
এই ধারাগুলি সরকারি অফিস থেকে তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা প্রদান করবে যেহেতু খসরা আইনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে “গুপ্তচরবৃত্তি” হিসেবে গণ্য এমন অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৪ বছরের জেল অথবা ২০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে।

➢ Precisely how is a reporter to write if s/he has no access to government documents?
আসল কথা হচ্ছে একজন রিপোর্টারের সরকারি কাগজপত্রে/নথিপত্রে অধিগমনের ক্ষমতা যদি না’ই থাকে কিভাবে সে লিখবে?

➢ The draft law is only going to create more ambiguity thanks to the use of vague terms, which human rights experts believe will be used to intimidate and harass people, including journalists.

অস্পষ্ট/অনিশ্চিত কিছু শর্তাবলী ব্যবহার করার ফলে খসড়া আইনটি আরো দ্ব্যর্থতা/অস্পষ্টতা/অনিশ্চয়তা তৈরি করতে যাচ্ছে, যা সাংবাদিকদের সহ, সকল মানুষকে হয়রানি ও আতঙ্কিত করার জন্য ব্যবহার করা হবে বলে মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন ।

➢ There are a host of other provisions that deal with many matters, including freedom of speech.
আজকে আর ভাল লাগতেছেনা, বাকি গুলো চেষ্টা করেন।(এইডা কিন্তু অনুবাদ না)

➢ It is severely curtailed in the online sphere (which includes social media like Facebook) and effectively muzzled because we are looking at heavy fines coupled with, should authorities deem fit, incarceration.

➢ The most damaging part of the proposed Act of course is that it does away with the need for arrest warrants, which means the courts are made redundant.

➢ The police are to be conferred carte blanche whereby law enforcers may incarcerate anyone on the mere suspicion of that person having committed a crime or suspected to be plotting to commit a crime.

➢ This is a draconian measure that is unthinkable in any country that claims itself to be democratic and goes against the universal principle of law that no one is presumed guilty unless proven so.

➢ We urge the government to reconsider the Digital Security Act 2018 and appeal to the parliament, especially the leader of the House, to scrap the provisions that could throttle freedom of expression.

Razib Raz

স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে join করুনঃ Job Study : Build your smart career