/

বিসিএসের চাকরিতে পিছিয়েছে নারীরা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিতঃ ১০:২২ পূর্বাহ্ণ | মার্চ ১২, ২০১৮

শিক্ষার ক্ষেত্রে এগিয়েছে নারীরা। প্রাথমিক থেকে নিয়ে উচ্চশিক্ষাতেও নারীদের উপস্থিতি উল্লেখ করার মত। কিন্তু বিসিএসে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে এর উল্টো। সম্প্রতি বিসিএসে নারীদের চাকরি পাওয়ার হার কমেছে।

গত চারটি বিসিএসে দেখা গেছে, নারীদের চাকরি পাওয়ার হার ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ থেকে কমে ২৬ দশমিক ২২ শতাংশে এসেছে। পিএসসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৭ পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

পিএসসির প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিপুলসংখ্যক নারী বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেন। তবে আস্তে আস্তে তাদের সংখ্যা কমতে থাকে। যেমন ৩৬ তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট আবেদনকারী ছিলেন ২ লাখ ১১ হাজার ২৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ প্রায় ৬৭ শতাংশ এবং নারী ৩৩ শতাংশ।

অথচ নারীদের চাকরি পাওয়ার হার ২৬ দশমিক ২২ শতাংশ। এর আগের বিসিএসে নারী প্রার্থী ছিলেন ৩৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এতে চাকরি পেয়েছেন ২৭ দশমিক ৯২ শতাংশ। তবে ৩২ তম বিসিএসে (বিশেষ) নারীরা বেশি চাকরি পান।

বর্তমানে সচিব থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতো বিভিন্ন পদে নারীদের উপস্থিতি লক্ষণীয়। তারা বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে গত কয়েক বছরে বিসিএসে নারীদের চাকরি পাওয়ার হার কমে যায়।

এ বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক জানান, বিসিএসে নারীদের চাকরি পাওয়ার হার কমার কারণ বিশ্লেষণ করে বলতে হবে। তবে মেধাতালিকায় নারীদের চাকরি পাওয়ার অগ্রগতি ভালো।

বিসিএস নারী কর্মকর্তাদের সংগঠন বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের মহাসচিব এবং জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক নাসরিন আক্তার জানান, অনেক মেয়ে পড়াশোনায় ভালো থাকলেও বিসিএস পরীক্ষা সম্পর্কে ভালো জানেন না। এ কারণেও তারা পিছিয়ে। এ বিষয়ে চাকরিপ্রার্থী নারীদের আরো সচেতন হতে বলেন তিনি।

 সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী জানান, নারীদের বিসিএসে চাকরি পাওয়ার হার কমে যাওয়ার বিষয়টা ভেবে দেখা উচিত।

সরকারি চাকরিতে বিসিএসকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। কারণ, এই চাকরির মাধ্যমে প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্রসহ দেশের ২৭ ধরনের ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে join করুনঃ Job Study : Build your smart career