/

কোটা সংস্কার ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিতঃ ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ | মার্চ ১৮, ২০১৮

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার এবং এই সংস্কারের পক্ষে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে চাকরি প্রার্থীরা। ২৯ মার্চ বিকাল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নাগরিক সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ ব্যানারে এ বিক্ষোভ মিছিলের শুরু হয়। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), শাহবাগ মোড়, নীলক্ষেত মোড় ঘুরে রাজু ভাস্কর্যে এসে মিছিলটি শেষ হয়। এরপর সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে তারা। সমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

২৯ মার্চ বিকাল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নাগরিক সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। এছাড়াও স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ২৫ মার্চ শাহবাগ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বিক্ষোভকারী মম জামিত জামিরুল বলেন, ‘আমরা যে দাবি করছি, সেটা একটা পবিত্র দাবি। স্বাধীনতার পরে এ আন্দোলন ন্যায্য আন্দোলন। আমরা কোটা সংস্কারের জোর দাবি জানাচ্ছি ।’

হায়দার আলী সৈকত বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর সেদিন (১৪ মার্চ) টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে এবং আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করেছে। আমরা ন্যায্য দাবির পক্ষে আন্দোলন করছি। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। কেউ যদি একজনও ন্যায্য কথা বলে ,বঙ্গবন্ধু ওই ন্যায্য দাবির পক্ষে কথা বলেছেন।’

বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাদের দাবিগুলো হলো-কোটা পদ্ধতি সংস্কার করে ৫৬ থেকে ১০ শতাংশে কমিয়ে আনতে হবে। কোটায় প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য-পদগুলোতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না। কোটার কোনও বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন কাটমার্ক ও বয়সসীমা করতে হবে।

স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে join করুনঃ Job Study : Build your smart career

প্রসঙ্গত, গত ১৪ মার্চ আন্দোলনকারীরা জনপ্রশাসনমন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে একটি বিশাল মিছিল নিয়ে হাইকোর্টের সামনে যায়। পরে সেখানে পুলিশের বাধা পেয়ে তারা হাইকোর্টের সামনের ‘শিক্ষা অধিকার চত্বরে’ অবস্থান নেয় এবং জনপ্রশাসনমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। এর আধঘণ্টা পরে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এ ঘটনায় ১৫-২০ জন আহত হয়েছেন বলে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছে। এরপর আন্দোলনকারী অজ্ঞাত ৭০০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।  সূত্র: বিডি জার্নাল